নারীর সুরক্ষার দায়িত্ব পুরুষদের বার্তা মোদীর - Men's are Protection of Women Message to Modi

নারীর সুরক্ষার দায়িত্ব পুরুষদের বার্তা  মোদীর - Men's are Protection of Women Message to Modi

দেশের ভিতরে ঘটে যাওয়া  ধর্ষণ কাণ্ডের প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী মুখ খুললেন।মধ্যপ্রদেশে আয়োজিত এক সভা থেকে তিনি আজ বলেন, ‘‘আপনাদের সব কথা দিল্লির সরকার শোনে। এ এ বার  কেন্দ্র সরকার দেশের শিশুদের ওপর হওয়া ধর্ষণে মামলায় দোষীদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার আইন জারি করেছে। ’’ মোদী দেশের মেয়েদের নিরাপত্তার ব্যাপারে বলেছেন, ‘‘ প্রত্যেক পরিবারকে তাঁদের মেয়েদের কে প্রাপ্য মর্যাদা দিতে হবে, পুরুষদেরও তাঁদের সুরক্ষার ব্যাপারে আরও দায়িত্ববান হতে হবে।’’

 চলতি মাসের প্রথম দিকে কাঠুয়ায় নাবালিকা ধর্ষণের ঘটনাকে কেন্দ্র করে সারা দেশ জুড়ে বিক্ষোভের হাওয়া বয়েছিল, সেই বিক্ষোভের পাশে বলিঊডের তারকারাও সামিল হয়েছিল। সোশ্যাল মিডিয়াতেও এর প্রভাব কোন অংশে কম পড়েনি। কাঠুয়ার কাণ্ডের পরেই ওডিশা, , সুরাত, উন্নাও – সহ আরও অনান্য রাজ্য থেকে শিশু ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার কথা একের পর এক মিডিয়ার কাছে আসতে থাকে, দেশ জুড়ে এই ঘটনার বিরুধে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। এই সব ঘটনার  বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী এত দিন নীরব ছিলেন, কিন্তু বিজেপি অনান্য নেতারে এই ঘটনার তিব্র বিরোধিতা করেছেন বিজেপি নেত্রী মেনকা গাঁধীও এই ঘটনার  বিরুদ্ধে প্রতীবাদের সূর তুলেছিলেন।

প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সম্প্রতি ব্রিটেন সফরে গিয়ে শিশুদের ওপরে হওয়া অত্যাচার  বিরুদ্ধে মুখ খোলেন। কেন্দ্র সরকারের তরফ থেকে  ২১ এপ্রিল ১২ বছরের নাবালিক শিশু ধর্ষণের ঘটনায় প্রমাণিত দোষীদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার আদেশ জারি করা হয়েছে। এতদিন দিন পড়ে আজ তিনি মুখ খুললেন। অন্য দিকে আজই  আবার ১২ বছরের কম বয়সি নাবালিকা শিশুদের ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় জম্মু-কাশ্মীর সরকারের তরফ থেকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশের জন্য কোর্টের কাছে অনুরোধ করা হয়াছে।
 অন্যদিকে আজ আবার কেন্দ্র সরকারের সামনে আজ আবার  এক নাবালিকার ধর্ষণের ঘটনা এলো। স্কুলপড়ুয়া এক কিশোরী তার স্কুলের সহপাঠীদের কাছেই গণধর্ষিতা হয়েছে স্কুলের ভিতরে। তদন্তকারী পুলিশের তরফ থেকে জানান হয়েছে, ধর্ষিতা সেই ওই কিশোরী একাদশ শ্রেণির ছাত্রী তিনি গ্রেটার নয়ডার বসবাস করেন । তদন্ত করে জানা গিয়েছে, যেইদিন এই ঘটনাটি ঘটেছিল সেইদিন কিশোরী    স্কুলে যাওয়ার সময়  স্কুলবাস পায়নি তাই সে পেয়ে হেঁটেই বাড়িতে ফিরছিল।

তার স্কুলের এক সহপাঠী তাকে দেখে গাড়ি থামায়, গাড়িতে  মোট তিন জন ছিল কিশোরের দুই বন্ধুও ছিল সেখানে। কিশোরির বন্ধুরা তাকে মেয়েটিকে   গাড়িতে তোলার সময় বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার প্রতিশ্রুতিদেয়। মেয়েটিকে তার বন্ধুরা গাড়ির মধ্যে পানীয় খাওয়ারের মধ্যে মাদক মিশিয়ে জোর করে পান করায়। চলন্ত গাড়ির মধ্যেই তার সাথে ধর্ষণ করে। ধর্ষণ করে চলন্ত গাড়ি থেকেই  মেয়েটিকে রাস্তায় ফেলে দিয়ে পালিয়ে যায়। পুলিশ রাস্তায় মেয়েটিকে অজ্ঞান অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখতে পায়, তারপর পুলিশ তাঁকে হাসপাতলে নিয়ে যায়।  মেয়েটি সঠিক সময় বাড়ি না ফেরায়  বাড়ির লোক চিন্তায় পড়ে যায়, তারপর তাঁরা স্থানিয় থানায় খবর দেন।

 পুলিশ ইতিমধ্যে তদন্তে নেমে দু’জন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে। অভিযুক্তদের মধ্যে কয়েকজন কিশোরীর সহপাঠী রয়েছে। অভিযুক্তদের মধ্যে তৃতীয় জন পালিয়ে গেছে। অন্য দিকে মহারাষ্ট্রে থেকেও  এরমধ্যে অন্য দিকে মহারাষ্ট্রেও  দু’টি নাবালিকা ধর্ষণের ঘটনার কথা সামনে এসেছে। মহারাষ্ট্র পুলিশের কাছে এই ঘটনার অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।