The Prime Minister's Office has been monitoring the issue of the note

The Prime Minister's Office has been monitoring the issue of the note

নোট সমস্যা নজর রাখা হচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর দফতরে

 

এ বার খোদ প্রধানমন্ত্রীর দফতর মাঠে নামল নোট  সমস্যা সামাল দিতে।

বুধবার সকাল থেকেই অর্থ মন্ত্রকের কর্তারা রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলির কর্তৃা দের  সাথে  ভিডিও কনফারেন্স করেন, নোট  সমস্যার বিষয় কথা বোলার জন্য। স্পষ্ট কড়া ভাবে নির্দেশ দেওয়া হয় ব্যাঙ্কগুলিকে, জানিয়ে দেওয়া হয় প্রতিটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলির অন্তত ৮০ শতাংশ এটিএম যাতে সঠিক ভাবে কাজ করে। এবং তার সাথে  সেই কথা  ব্যাঙ্কের কর্তাদের তরফ থেকেও নিশ্চিত করতে হবে।এর সাথে তাদের এও জানিয়ে দেওয়া হয় প্রধানমন্ত্রীর দফতরের তরফ থেকে এই বিষয়ের ওপর নজরদারি করা হচ্ছে। তারপরে নীরজ ব্যাস যিনি স্টেট ব্যাঙ্কের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর জানান, ‘‘এসবিআই এটিএমগুলিতে গত ২৪ ঘণ্টায় পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। শীঘ্র অবস্থা স্বাভাবিক হবে।’’

কিন্তু কেন এমন পরিস্থিতি তৈরি হল? অনেকে মনে করছে, বাজারে দু’হাজার টাকার নোটের ব্যবহার কমিয়ে ২০০ টাকার নোট সরবরাহ বাড়াতে গিয়েই এই সমস্যা তৈরি হয়েছে। স্টেট ব্যাঙ্কের রিসার্চ  টিমের রিপোর্টে থেকেও সেই একই ইঙ্গিত পাওয়া  গিয়েছে।

২০১৬-র নভেম্বর মাসে পুরনো ৫০০ ও ১০০০ টাকার বদলির পরে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া নগদ টাকার চাহিদা মেটাতে বাজারে নতুন দু’হাজার টাকার নোট সরবরাহ করেছিল, পড়ে খবর মিলেছিল  এখন নাকি সেই দু’হাজার টাকার নোট ছাপা বন্ধ করা হয়েছে। এখন মূল সমস্যার কারন হল একটা দু’হাজারের নোট ভাঙতে গেলে ১০টা ২০০ টাকার নোট লাগে। কিন্তু এটিএম মেশিনে কত গুলো নোট রাখা হবে সেই সংখ্যা তো আগে থেকেই বাঁধা, এর জন্য এটিএম ২০০ টাকার নোটের সংখ্যা খুব তাড়াতাড়ি শেষ হয়ে যাচ্ছে।
এটিএম পরিচালন শিল্পের  সংগঠিত কমেটি জানিয়েছে,এই সমস্যা গত ১০ দিন ধরে হচ্ছে, কারন এটিএম-এ পরিমাণ মত টাকা রাখতে হলে যে সংখ্যায় নোটের প্রযোজন সেই পরিমাণ নগদ তাঁরা  পাছেন না। মার্চ মাস পর্যন্ত ব্যাঙ্কগুলি চাহিদার ৯০ শতাংশ মেটাতে পেড়েছে। কিন্তু এপ্রিল মাসে ব্যাঙ্কগুলি যে পরিমাণ নোট পেত তার ৩০ শতাংশ কমে গেছে, এই জন্য ব্যাঙ্কগুলি নগদ টাকার চাহিদা মেটাতে পারছেনা। স্টেট ব্যাঙ্কের রিসার্চ ব্রাঞ্চরের তরফ তেকে জানান হয়েছে, প্রায় ৭০  হাজার কোটি টাকা ফারাক রয়েছে নগদের চাহিদা ও জোগানের মধ্যে।
সরকারের তরফ থেকে অবশ্য হচ্ছে যে, নগদ টাকার কোনো অভাব নেই এই মুহূর্তে। সমস্যা হল,কোণ কোণ রাজ্যে নগদের পরিমাণ বেশি আবার কোণ রাজ্যে নগদের পরিমাণ কম।  তার সাথে যোগ হয়েছে দেশবাসীর অহেতুক বেশি  পরিমাণে টাকা তোলা। সোমবার গোটা দেশে ব্যাঙ্কগুলিতে ২৩,৬৫১ কোটি টাকা জমা  করা হয়েছে।কিন্তু তার সাথে তোলা হয়েছে মোট ২৯,৪৭৫ কোটি টাকা ।