Rahul and adhir wants President's rule - রাহুল অধীর চান রাষ্ট্রপতি শাসন

Rahul and adhir wants President's rule - রাহুল অধীর চান  রাষ্ট্রপতি শাসন

 

রাহুলের সাথে বৈঠকের পর অধীর জানান রাষ্ট্রপতি শাসনই এক মাত্র পথ  

 


 

এবার কি রাষ্ট্রপতি শাসন রাজ্যে জারি হতে চলেছে ? সেই  সম্ভাবনা কে অনেকটাই উসকে দিয়েছে বিরোধীদের করা বিভিন্ন  মন্তব্য।   বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ পঞ্চায়েত ভোটে মনোনয়নের জমার পর্ব কে ঘিরে ঘটে যাওয়া সন্ত্রাস প্রসঙ্গে জানিয়েছিলেন, এখন যে পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে তাতে রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন জারির করার অবস্থায় পৌচেছে। কিন্তু তিনি এও জানিয়েছেন  এখনই সেই দাবি তোলা হচ্ছে তাদের তরফ থেকে। অধীর চৌধুরি তার পরদিন দিল্লীতে  রাহুলের সাথে বৈঠকের পর জানান তিনিও রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন চাইছেন।
বাংলার  রাজ্য-রাজনীতির কেন্দ্র চরিত্রে  যেই থাকুক না কেন অধীর চৌধুরি বাংলার রাজনীতিতে  একটি গুরুত্বপূর্ণ  ভুমিকা পালন করেন। তিনি তাঁর বাসভূমি বহরমপুর থেকেই অনেকবার মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছেন  বাংলার রাজনীতির। পঞ্চায়েতে ভোটে মনোনয়ন জমা দেওয়া কে কেন্দ্র করে যে সন্ত্রাস চলছে তার বিরুধে তিনিই প্রথম  আদালাতের দ্বারস্থ হয়েছেন।  পরে  একই পথে হাঁটেন অন্যান্য বিরোধী দলের নেতারাও। যার জন্য শেষ পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনকে পঞ্চায়েতে ভোটের নির্ঘণ্টকে বাতিল করতে হয়েছিল। মনোনয়ন জমা দেওয়ার জন্য আরও এক অতিরিক্ত দিন দেওয়া হয়। কিন্তু সেদিনও বাংলা সন্ত্রাসের আগুনে উত্তক্ত হয়ে ওঠে। মনোনয়ন পর্বের আগে এক রাজনৈতিক কর্মীর মৃত্যু হয় রানিবাঁধে। মনোনয়ন জমা অতিরিক্ত দিনে সিউড়ি তে পরিস্থিতি উত্তেযীত হয়ে ওঠে, সেখানেও এক রাজনৈতিক কর্মীর প্রাণ হারান। যদিও তিনি কোন রাজনৈতিক দলের সমর্থক ছিলেন তা জানা যায়নি। দিলীপ ঘোষের এই পরিস্থিতি নিয়ে মন্তব্য করেন, তিনি জানান এখন রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করার মত অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। যদিও তিনি জানান এখনই সেই দাবি তোলা হবেনা বিজেপির তরফ থেকে। বিজেপির পর্যবেক্ষক কৈলাশ বিজয়বর্গীয় জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতিকে কিছু অশান্তির ভিডিও ক্লিপিংস দেখানো হবে।  
অধীর চৌধুরি গত মঙ্গলবার দিল্লীতে  রাহুল গান্ধীর সাথে বৈঠক করেন পঞ্চায়েত নির্বাচনের পরিস্থিতির বিষয় নিয়ে। তৃণমূলের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের অভিযোগ করেন তিনি  কংগ্রেস সভাপতির কাছে। তিনি স্পষ্ট ভাবে জানিয়ে দিয়েছেন তৃণমূলের দিকে বাড়িয়ে দেওয়া বন্ধুত্বের হাত ফিরিয়ে নিতে হবে। বৈঠকের পরে অধীর চৌধুরী এএনআই-কে এক  সাক্ষাৎকার দেন তাতে তিনি জানান, “আমি  এখন রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করার দাবি জানাচ্ছি। এটাই এই সময়ের জন্য উপযুক্ত দাবি। রাষ্ট্রপতি শাসন জারি না করলে কারো পক্ষে গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করা সম্ভব হবে না ”
এইদিকে প্রদেশ কংগ্রেস কর্মীরা রাজ্য নির্বাচন কমিশনের কাছে তাঁদের ভোটার আইডি কার্ড জমা দেওয়ার সিধান্ত নিয়েছে এবং সেই মত কাজ ও করছেন তাঁরা।  তাঁরা দাবি করছেন, যে রাজ্যে নির্বাচনে মনোনয়ন জমা দেওয়া  জাচ্ছেনা, সেই রাজ্যে যে দেশের  গণতান্ত্রিক অধিকারও যে  প্রয়োগ করতে দেওয়া হবে না,সেটাও স্পষ্ট  ভাবে বোঝা যাচ্ছে । তাহলে ভোটার আইডি কার্ড  রেখে কোন লাভ নেই।  কংগ্রেস কর্মীরা রাজ্যের শাসকদলের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে প্রতিবাদের পথে হাঁটছেন।