KKR defeats Virat's team in Chinnaswamy - চিন্নাস্বামীতে বিরাটের দল কে হারাল KKR

KKR defeats Virat's team in Chinnaswamy - চিন্নাস্বামীতে বিরাটের দল কে হারাল KKR


আইপিলে KKR – রের ভাগ্য একটু বেশিই ভাল।  RCB গতকাল ম্যাচ শুরুতেই  KKR কে চূড়ান্ত স্বস্তি দিয়েছিল। কারন RCB দুরন্ত ফর্মে থাকা ব্যাটসম্যান এবিক  ডিভিলিয়ার্স ভাইরাল ফিভারে আক্রান্ত হয়ে  ম্যাচে  খেলতে পারবেননা। আর তাতেই বিরাটের দলের মনোবল অনেকটা কমিয়ে দেয়। আর বাকি কাজ টা করেছে KKRরের প্লেয়ারদের আত্মবিশ্বাস।

প্লে-অফে পৌঁছানোর জন্য দুই দলের কাছেই রবিবারের ম্যাচটা ছিল ডু অর ডাই ম্যাচ। সেইকারনে  উভয় দলের মধ্যে জয়ের খিদেটা ছিল একদম  সমান মাত্রায়।তবে  RCB সেই কথা মুখে প্রকাশ না করে যদি  মাঠে খেলে দেখাতে পরত  তবেই হয়ত ভালো করত। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের ফিল্ডাররা ডু অর ডাই ম্যাচে একের পর এক ক্যাচ মিস করে কলকাতা নাইট রাইডারসের। আর সেখানেই  KKR – রের কাজটা অনেক টা সহজ হয়ে গেল। এমনিতেই  এবিক  ডিভিলিয়ার্স কে সামলানোর ঝামেলা ছিলনা সেদিন। তার উপর ব্যাট করতে নেমে সুনীল নারায়ানের  ক্যাচ  একাধিকবার ফেলেদিয়েছে RCB-র ফিল্ডার রা। সেই সুযোগকেই কাজে লাগিয়ে নারায়ণ  দলের ভিতটাকে শক্ত করে দিলেন। এরপর ব্যাঙ্গালুরুর চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে হয়ে যাওয়া এক পশলা বৃষ্টি KKR-রের  সৌভাগ্য আরও বাড়িয়ে দিল।  বৃষ্টির পরে আরও বেশি মসৃণ   হয়ে যায়  মাঠের আউট ফিল্ড । কোন ব্যাটসম্যানই এমন পরিস্থিতিতে ব্লকে বাউন্ডারি তে পাঠানোর সুযোগ হাতছাড়া করতে চাইবেন। ক্রিস লিন দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলে দলকে শুধু জয়ই এনেদিল না, কার্যত আরও একবার RCB –র  IPL  ট্রফি জেতের স্বপ্ন ভেঙ্গে দিল।

অ্যান্ডি রুসসেল্ল মাঠের মধ্যেই সেলিব্রেট করলেন নিজের জন্মদিনটা, নিজেকে নিজেই দিলেন এক দুর্দান্ত উপহার। ৩ ওভারে ৩ টি RCB র প্রথম সারির ব্যাটসম্যানের  উইকেট নেন এবং মাত্র ৩১ রান দেন। এবিক  ডিভিলিয়ার্সরের ব্যাটিংয়ের অভাব এই দিনের  ম্যাচে  যেন একটু বেশিই অনুভূত করছিল RCB। তবে ক্যাপ্টেন বিরাট কোহলি  যতটা সম্ভব সেই অভাব পূরণ করেছেন তাঁর ব্যাটিং-র মাধ্যমে। দশ ওভারে পাওয়ার প্লের পর RCB-র  স্কোর বোর্ডে মাত্র ৭৫ রান দেখা যাচ্ছিল। এরপর কোহলি একাই দায়িত্ব নিয়ে  ১৭৫ রান করেন ৪ উইকেট হারিয়ে। ইনিংসের শেষ পর্যন্ত একাই লড়ে গেলেন বিরাট জনসন,  রাসেল, কুলদীপ জাদেব দের ব্লিংয়ের বিরুদ্ধে।  RCB-র  ক্যাপ্টেন নট আউট হয়ে ৬৮ রান করেন, এরপর টিমের সমস্ত দায়িত্ব ছিল বলীং ও ফিল্ডিঙের ওপর। কিন্তু  RCB-র   বলীং ও ফিল্ডিঙে ক্যাপ্টেন কোহলি যথেষ্ট নারাজ ছিলেন। KKR – রের ইনিংসের শেষ। কিন্তু তাতেও শেষ রক্ষা  হয়নি বিরাটের দলের, কারন  KKR- কে জেতার জন্য দরকার ছিল মত্র আর  ৪ রান। RCB  আর KKR –কে  হারানোর ইছে পূরণ হলনা। একা ক্যাপ্টেন ভাল খেলেই ক্রিকেটের ম্যাচ জেতা যায়না, দরকার পরে টিমগেম সেটাই প্রমান  করে দিল কার্তিক অ্যান্ড কোং। দিল্লি ও পাঞ্জাবের কাছে কার্তিকের টিমের হারের পর RCB – কে হারিয়ে  দুটি পয়েন্ট নিয়ে প্লে-অফের রাস্তা বানিয়ে নিয়েছে নাইটবাহিনী। আইপিলে  RCB কপাল বেশি  খারাপ নাকি KKR ভাগ্য একটু বেশি ভাল? সেটাই বোঝা যাচ্ছে না এখন।